17 July 2018 , Tuesday
Bangla Font Download

You Are Here: Home » বিবিধ » আজ পহেলা অগ্রহায়ণ: নবান্ন উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ পহেলা অগ্রহায়ণ। হেমন্তের শেষ অর্ধাংশের শুরু।  বাংলার ঋতু বৈচিত্র্যে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে যে হেমন্ত তার মধ্যে  অগ্রহায়ণ মানেই  নবান্ন উৎসব। আগেকার দিনে এ ঋতুতে পাকা ধান কাটা শুরু হতো। আর বিশেষ করে অগ্রহায়ণের শুরুতে নতুন ধানের চালের তৈরি পিঠা উৎসব হতো ঘরে ঘরে। আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অগ্রহায়ণ নিয়ে কাব্য রচনা হয়েছে।

‘ঋতুর খাঞ্জা ভরিয়া এল কি ধরণীর সওগাত?
নবীন ধানের আঘ্রাণে আজি অঘ্রাণ হল মাৎ।’
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় এভাবে নতুন আমন ধানের  অঘ্রাণে অগ্রহায়ণকে মাৎ করে  দেওয়ার কথা উচ্চারিত হয়েছে।
মুলত  ষড়ঋতুর লীলাবৈচিত্র্যে বিচিত্র কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে অগ্রহায়ণ মাস তথা হেমন্ত ঋতু আসে নতুন ফসলের সওগাত নিয়ে। কৃষককে উপহার  দেয় সোনালী দিন। তাদের মাথার ঘাম পায়ে  ফেলে ফলানো সোনালী ধানের সম্ভার সগৌরবে বুকে ধারণ করে  হেসে ওঠে বাংলাদেশ। তাই বিপুল বিস্ময়ে কবিগুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও  গেয়ে ওঠেন- ‘ও মা, অঘ্রাণে  তোর ভরা  ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি ?’ হাসি  ফোটে কৃষকের মুখেও, মাঠ ভরা  সোনালী ফসল নতুন স্বপ্ন জাগায়  চোখে। কবি সুকান্ত’র ভাষায়  যেন-‘নতুন ফসলের সুবর্ণ যুগ আসে।’ দিন রাতের অবিশ্রান্ত শ্রমে কৃষকের ঘরে ওঠে  সোনার ধান। বাংলার গ্রাম-গঞ্জ  মেতে ওঠে নবান্নের উৎসবে। সরকার আমাদের দেশের আবহমান এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আজ সারাদেশে নবান্ন উৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নবান্ন উৎসবের সাথে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি।

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

উপদেষ্টা : মাসুদ রানা, কাজী আকরাম হোসেন, খন্দকার সাঈদ আহমেদ, প্রকাশক : রোকেয়া চৌধুরী বেবী, সম্পাদক : রফিক আহমেদ মুফদি, বিশেষ প্রতিনিধি : মোস্তাক হোসেন, মনিরুল ইসলাম, চিফ রিপোর্টার: হানিফ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : জাকির হোসেন। যোগাযোগ: ২৭৮, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রুম নম্বর ১২০৪, মৌচাক টাওয়ার, মালিবাগ মোড়, ঢাকা। মোবাইল : ০১৮১৯-০৬৭৫২৯, ই-মেইল: monirjjd@yahoo.com,

Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD