দেশনিউজ২৪ ডটকমঃ বিশ্ব চলচ্চিত্রের মহোৎসব চলছে ফ্রান্সে। কানের লাল গালিচায় পা রাখতে ভিড় জমিয়েছেন হলিউড-বলিউডের অভিনেতারা। স্লামডগ মিলেনিয়র খ্যাত ব্রিটিশ ভারতীয় ফ্রিদা পিন্টোর পা লাল গালিচায় এবার দিয়ে দ্বিতীয়বারে পড়ল।
কানে উপস্থিতি জানাতে অভিনেত্রীরা প্রত্যেকবারই আসেন না ঢং, রং-এ। বিশেষ করে সবাই দৃষ্টি কাড়তে চান ভিন্নমাত্রার পোশাকে। ফ্রিদাও ব্যতিক্রম নন। তিনি এবার বুকের ওপর কয়েক রংয়ে পাথরের কাজ করা নামী ডিজাইনারের বলগা কাঁধওয়ালা গোলাপী আভার ফ্রক পরে হেঁটেছেন লাল গালিচায়।
বলিউড ও হলিউডে প্রতিষ্ঠিত এই অভিনেত্রীর বাহ্যিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ উৎসবের অতিথিরা। এজন্য ক্যামেরার লাইট তার প্রতি পড়েছে মুহুমুহু করতালিতে। তবে সেখানে মিডিয়ার কাছে ফ্রিদা বলেছেন ভেতরের সৌন্দর্যের কথা। তিনি কে, কোথা থেকে উঠে এসে আজ এই খ্যাতি- তা সব সময় মনে রাখেন বলে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।
কানে ভারতীয় মুখ দেখে অনুভূতি সম্পর্কে ফিদ্রা বলেন, ‘ভারতীয় হয়ে এটা নিয়ে সব সময় গর্ববোধ করি। বিশেষ করে বিদেশে অভিনয় করারও পরও নিজের অস্তিত্বকে সব সময় স্মরণ করি। আমি কখনোই ভুলে যায় না- আমি কোথা থেকে এসেছি। এটা আমাকে আরও এগিয়ে যেতে উৎসাহ যোগায়। আর এ বছর তো আমার জন্য আরও বিশেষ কিছু, কারণ পরে ছবির প্রচারণার জন্যই কা হাজির হয়েছি।’
পরিচালক ড্যানি বয়েল, জেন-জ্যাকুস আনাদ এবং সিন পেন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারা তিনজনই ভিন্ন ধরনের মানুষ। একজন আরেকজনের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সুতরাং তাদের মধ্যে তুলনা করতে আমি পারব না। একজনের সাথে কাজের পর অন্যজনের কাজের জন্যও আমাকে প্রস্তুতি নিতে হয়। আর এভাবেই আপনাকে পরিচালকদের নির্দেশনা এবং লক্ষ্যের সাথে মিশে যেতে হবে।’

পাশ্চাত্যের জীবন আপনার নিজস্ব সৌন্দর্যকে ম্লান করে দিচ্ছে- এমন প্রশ্নে ফ্রিদা বলেন, ‘এটা সত্যিকার অর্থেই অসত্য, বানোয়াট। আত্মবিশ্বাসই মূল, এটা অব্যাহত রাখতে পারলে লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব। অন্তর সুন্দর থাকলে তবেই আপনি বাহ্যিকভাবে (চামড়া) সুন্দরী ভাবতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। আর তা অন্যের কাছেও সুন্দর হয়েই ধরা দেবে- এ ধরনের সবকিছুকে আমি আমার জীবনের উপহার হিসেবে নিয়েই পথ চলছি।’
