দেশনিউজ২৪ ডটকমঃ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তা মো.হেলালউদ্দিনকে জেরা করা হয়েছে।
সোমবারের মতো জেরা শেষে মামলার কার্যক্রম মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
সোমবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল জেরা শেষে মুলতবির এ আদেশ দেয়।
পিরোজপুর জেলার পাড়েরহাটসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তার তোলা ছবির বিষয়ে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।
মো. হেলালউদ্দিনকে সোমবার ২৪তম দিনের মতো জেরা করেছেন আসামী পক্ষের আইনজীবীরা।তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন গত ২৪ এপ্রিল জবানবন্দী পেশ শেষ করেন। এরপর গত ২৫এপ্রিল থেকে তাকে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা জেরা শুরু করেন।
তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করেন আসামীপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম।
সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন (৫৬) গত ৮ এপ্রিল থেকে টানা ৯ কার্যদিবসে ট্রাইব্যুনালে তার জবানবন্দি পেশ করেন। হেলালউদ্দিন তার জবানবন্দিতে বলেন, পাক বাহিনীর সহযোগী রাজাকার বাহিনীর পিরোজপুরের ১৮ জনের একটি তালিকায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম ১৬ নাম্বারে রয়েছে। তিনি তদন্তকালে নেয়া সাক্ষ্য, বিভিন্ন আলামত ও ডকুমেন্ট তার জবানবন্দিতে উপস্থাপন করেন।
গত বছর ৩১ মে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের চার হাজার ৭৪ পৃষ্ঠার ১৫ খন্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। সুনির্দিস্ট ২০টি ঘটনায় গত বছর ৩ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
মাওলানা সাঈদীকে ২০১০ সালের ২৯ জুন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়।
গত ৭ নভেম্বর থেকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এ পর্যন্ত ২৭ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে তাদের জবানবন্দি পেশ করেছেন। এছাড়াও প্রসিকিউশনের আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে দেয়া ১৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি তাদের অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য হিসেবে আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
