20 October 2017 , Friday
Bangla Font Download

You Are Here: Home » মুক্তকলম, রাজনীতি, সর্বশেষ সংবাদ » গাইবান্ধা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আমিনুল ইসলাম

মো. মহসিন হোসেন: গাইবান্ধা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজ এলাকার গ্রামে-গঞ্জে ছুটে বেড়াচ্ছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দপ্তরের কাজে যেমন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ এর সহযোগি হিসেবে কাজ করে থাকেন তেমনি সময় পেলেই ছুটে যান নিজ নির্বাচনী এলাকা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। এলাকার মানুষের সুখে দুখে পাশে দাড়ানোর কারণে এলাকায় রয়েছে ব্যাপক জনসমর্থন। দলের নিবেদিত প্রাণ এই কর্মী এক/এগারোর পর থেকে কয়েকদফা মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন। দল করার কারণে কলেজের অধ্যাপনার চাকরিটাও চলে গেছে। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে পড়াকাল থেকেই ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িত। এরপর স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম বলেন, জীবনের অধিকাংশ সময় নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে ব্যায় করেছি। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকতে চাই। এবার বিএনপি যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবদি।
রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান আমিনুল ইসলামের বাবা মরহুম ওসমান আলী মন্ডল (ওসমান মাস্টার) গোবিন্দগঞ্জ থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাবেক সহসভাপতি। তার মামা মরহুম অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বুদু মিয়া গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনের সাবেক এমএলও ও সাবেক এমপি।
আমিনুল ইসলাম দেশনিউজকে বলেন, ১৯৯৭ সালের হাঁ-না ভোট চলাকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হঠাৎ করে আমাদের গ্রামের ভোটকেন্দ্রে এসে হাজির হন। তখন আমি অনেক ছোট। বাবার হাত ধরে সকাল থেকেই ওই ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করছিলাম। সেই সুবাদে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে করমর্দন সুযোগ পাই। তখন থেকেই জিয়াউর রহমানের প্রতি মনের মধ্যে দরদ তৈরী হয়। যা এখনো রয়েছে।
১৯৮৩ সালে রাজশাহী কলেজে অধ্যায়নকালে স্বৈরাচারী এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের মিছিলে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন আমিনুল ইসলাম। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তির পর ছাত্রদলের সকল কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ। ১৯৯১ সালে রাবির শের-ই বাংলা হল শাখার সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাহিত্য সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের আইইআর শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও ওই পদে আছেন। ২০১০ সালে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং বর্তমানেও আছেন। ২০১৬ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সাল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলের সদস্য হিসেবে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নয়াপল্টনে দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কো-অর্ডিনেশনের দায়িত্ব পালন।
এছাড়া এই আমিনুল ইসলামের দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে সু-সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময় দলের প্রোগ্রামের তথ্য এসএমএস ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানিয়ে সহায়তা করেন। এজন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকবান্ধব হিসেবেও পরিচিত আমিনুল ইসলাম।

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

উপদেষ্টা : মাসুদ রানা, কাজী আকরাম হোসেন, খন্দকার সাঈদ আহমেদ, প্রকাশক : রোকেয়া চৌধুরী বেবী, সম্পাদক : রফিক আহমেদ মুফদি, প্রধান বার্তা সম্পাদক : মহসিন হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি : মোস্তাক হোসেন, মনিরুল ইসলাম, চিফ রিপোর্টার: জুটন চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : জাকির হোসেন। যোগাযোগ: ২৭৮, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রুম নম্বর ১২০৪, মৌচাক টাওয়ার, মালিবাগ মোড়, ঢাকা। মোবাইল : ০১৮১৯-০৬৭৫২৯, ০১৭১১-৭৮৩৮৬৮, ই-মেইল: monirjjd@yahoo.com, mohsindesh@gmail.com

Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD