26 September 2017 , Tuesday
Bangla Font Download

You Are Here: Home » রাজনীতি, শীর্ষ দশ » হরতাল শেষে দুদিনের কর্মসূচি দিয়েছে জামায়াত

ঢাকা, ৪ ডিসেম্বর : সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সংর্ঘষে অন্তত ৩০ পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সারা দিনে অর্ধশত জামায়াত কর্মী আটক করেছে পুলিশ।ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী মুজাহিদকে নিহত করার ঘটনা এবং মিছিল ও সমাবেশে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে ৫ ডিসেম্বর দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচী এবং আগামী ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার সারাদেশে শহীদের জন্য দোয়া করার কর্মসূচী ঘোষণা করছি।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ানবাজার, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী ও খিলক্ষেতে পুলিশের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনার মধ্য দিয়ে হরতাল কর্মসূচির সূচনা হয়। দিনব্যাপি ব্যাপকভাবে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত শীর্ষনেতাদের মুক্তি এবং বিভিন্ন দাবিতে জামায়াতে ইসলামী সোমবার দুপুরে এই হরতাল ডাক দেয়। এ সরকার আমলে জামায়াত ইসলামী ডাকা একক হরতাল এটাই। তবে অন্যসব হরতালের থেকে এবারের হরতালে পিকেটিং ছিল চোখে পরার মত। বিএনপিসহ অন্য শরিকরাও এই হরতালে নৈতিক সমর্থন দেয়। তবে মাঠ পর্যায় এসব সমর্থনকারীরা কেউ মাঠে ছিল না।

ফজরের নামজের পর পরই হরতাল সমর্থকারীরা রাজধানীতে মিছিল বেড় করে। এ সময় একাধিক স্থানে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল বাড়তে থাকে। সড়কে অটোরিকশা ও রিকশা চলছে অন্যদিনের মতোই। তবে অনেক মানুষকে বিভিন্ন মোড়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

গাবতলী থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস না ছাড়লেও সায়েদাবাদ থেকে বাস ছেড়েছে বিভিন্ন গন্তব্যে। রেল ও লঞ্চ চলাচলও ছিল স্বাভাবিক। হরতালে দূরপাল্লার বাস তেমন চলাচল না করায় মাওয়া-কাওড়াকান্দি ঘাটে অধিকাংশ লঞ্চ ও স্পিড বোট নোঙর করাই থাকে। তবে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ছিল স্বাভাবিক।

হরতালে রাজধানীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও অফিস-আদালতে স্বাভাবিক কাজকর্ম চলেছে। সচল ছিল ব্যাংক, বীমাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানও। সচল ছিল পূজিবাজার। লেনদেন হয়েছে স্বাভাবিক। তবে সিকিউরিটিজ হাউজগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিত ছিল অন্যান্য দিনের থেকে কম। সচিবালয়েও কাজ হয়েছে অন্যদিনের মতোই। হরতাল ঘিরে সচিবালয় ও এর আশপাশের এলাকায় নেয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রশাসনের এই কেন্দ্রস্থলে কর্মীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক।

বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ভোর থেকেই প্রতিটি সড়কে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা যায়। পাশাপাশি সাদা পোশাকে মাঠে ছিল। এর মধ্যেও রাজধানীর কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও, যাত্রাবাড়ী ও শ্যাওড়াপাড়ায় ঝটিকা মিছিল বের করে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টিরও চেষ্টা করে তারা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও ফার্মগেইট এলাকায় সকাল পৌনে ৭টার দিকে জামায়াত-শিবিরের কিছু নেতাকর্মী হঠাৎ রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে দিলে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় অন্তত চারটি গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। একটি বাসে আগুন দেয়ার চেষ্টাও করে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। পুলিশ তাদের ধাওয়া করলে ঢিল ছুড়তে ছুড়তে বিভিন্ন অলিগলিতে ঢুকে পড়ে তারা। তেজগাঁওয়ের ওসি ওমর ফারুক জানান, হরতালকারীরা এ সময় অন্তত চারটি গাড়ি ভাঙচুর করে। একটি বাসে আগুন দেয়ারও চেষ্টা করে তারা।

একই সময়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় হরতাল সমর্থকরা ঝটিকা মিছিল নিয়ে অন্তত পাঁচটি গাড়ি ভাংচুর করে। সেখানেও সড়কে টায়র জ্বালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলে। এসময় সেখান থেকে জামায়াত-শিবিরের সাত কর্মীকে আটক করে পুলিশ। যত্রাবাড়ী থানার এস আই এমরানুল ইসলাম জানান, হরতালকারীরা একটি লেপে আগুন ধরিয়ে রাস্তায় ফেলে রাখে। সকালে ভাংচুরের সময় কাউকে আটক করা না গেলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন অলিগলিতে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়।

সকাল পৌনে ৭টার দিকে রূপসী বাংলা হোটেলের সামনে তিনটি গাড়িতে ভাংচুর করেছে হরতালকারীরা। পরিবাগ গলি থেকে ২০/২২ জন যুবকের একটি দল হঠাৎ করে রাস্তায় বের হয়ে গাড়ি ভাংচুর করে। তারা রূপসী বাংলা হোটেলের সামনের পুলিশ বক্সও ভাংচুরের চেষ্টা করে এবং একটি বিলবোর্ডে আগুন দেয়।

এর আগে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করা হয় কাজীপাড়া ও শ্যাওড়াপাড়া এলাকায় রোকেয়া সরণীতেও। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সাভারে বিশ্বাস পরিবহনের একটি গাড়িতে আগুন দেয়া হয় বলে ফায়ার সার্ভিসের সূত্র জানায়। সকাল ১০টার দিকে মিরপুরের আনসারক্যাম্প এলাকায় একটি বাসে আগুন ও তিনটি গাড়িতে ভাংচুর চালায় হরতালকারীরা।

এর আধা ঘণ্টা পর রাজধানীর খিলক্ষেত ফ্লাইওভারের নিচে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের একটি গাড়িতে হামলা চালায় হরতালকারীরা। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর সড়কে নৌবাহিনীর সদরদপ্তরের ফটকের উল্টো দিকে আগুন দেয়া হয় একটি বাসে। দুপুরে বাংলামোটরে একটি বাস পুড়িয়ে দেয়া হয় বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশপাশেও বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জামায়াতের হরতাল চলাকালে মঙ্গলবার দুপুরের পর পুলিশ ইসলামী ব্যাংক মতিঝিল শাখায় অভিযান চালিয়ে ৭ কর্মকর্তাকে আটক করেছে। মতিঝিল থানার ওসি হায়াতুজ্জামান জানান, আটককৃত ব্যাংক কর্মকর্তাদেরকে মতিঝিল থানায় আনা হয়েছে। হরতালে ভাংচুর ও সংঘর্ষের পেছনে হাত থাকতে পারে সন্দেহে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। একই সময় রমনা ও পল্টন থানায় আরো ৪জনকে আটক করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, হরতালের সমর্থনে বেলা ১২টা পর্যন্ত রাজধানীর ৪০টি স্পটে মিছিল করেছে তাদের নেতাকর্মীরা। এ সময় ‘পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীদের হামলায়’ তাদের ১৫ জন আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে  ৪৮ জন জামায়াত কর্মীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুসারে দেশের বিভিন্ন শহরের মধ্যে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও টঙ্গীতেও পুলিশের সঙ্গে জামায়াত কর্মীদের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

চট্টগ্রাম : সকাল থেকেই শিবিরকর্মীরা বন্দরনগরী চট্টগ্রামের চাক্তাই নতুন ব্রিজ, চকবাজার, নাসিরাবাদ হাউজিং, মাঝিরঘাট, বন্দর এলাকায় মিছিল করার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। কয়েকটি সিএনজিতে ভাংচুর চালানোর সময় পাঁচ শিবিরকর্মীকে পুলিশ আটক করে।

রাজশাহী : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় সকালে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এ সময় কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। পুলিশের সঙ্গে তাদের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে আহত হন অন্তত পাঁচ জন।

সিলেট : সকাল সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় নেমে প্রায় ১৫টি গাড়ি ভাংচুর করে জামাত-শিবিরকর্মীরা। এ সময় পুলিশের একটি মোটরসাইকেলেও তারা আগুন দেয়। এছাড়া রেল স্টেশন, হুমায়ুন রশিদ স্কয়ার ও চন্ডিপুল এলাকাতেও জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আটক করা হয় চারজনকে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের একটি ভ্যানে আগুন দেয় জামায়াত-শিবির কর্মীরা। সকাল ৭টার দিকে শহরের পীরবাড়িতে বাইপাস সড়কে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে পুলিশের থেমে থাকা একটি ভ্যানে তারা আগুন দেয় বলে জানান সদর সার্কেলের এএসপি রাকিব খান।

নারায়ণগঞ্জ : প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ভোর ছয়টার পর থেকে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা হরতালের সমর্থনে সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জে মৌচাক ও সানারপাড় এলাকায় খ- খ- মিছিল বের করে। একপর্যায়ে তারা মহাসড়কের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে প্রায় ৪০-৫০টি টায়ার ও ফোমের স্তুপে আগুন জ্বেলে দিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এ সময় তারা ৮-১০টি গাড়ি ভাঙচুর করে। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোডের ভুঁইগড় দেলপাড়া এলাকায় নারায়ণগঞ্জগামী বন্ধন পরিবহনের একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নেভায়।

সাভার : সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জালাল উদ্দিন জানান, ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে জামায়াত-শিবিরের ১০-১২ জন নেতা-কর্মী অতর্কিতে সাভার বাসস্ট্যান্ডের অদূরে রেডিও কলোনি এলাকায় রাখা বাসে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগে গাড়িটি পুড়ে যায়।

ফেনী : সকাল থেকে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পিকেটিং করছে। তারা মহাসড়কের মহিপালে একটি কাভার্ড ভ্যান ও এসএসকে রোডে দুটি রিকশা ভাঙচুর করেন। সোমবার রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছয়জন এবং মঙ্গলবার সকালে সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়া থেকে তিনজনসহ জামায়াত-শিবিরের নয়জন কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

নোয়াখালী : নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থেকে তিনজন ও সোনাইমুড়ী থেকে একজনসহ জামায়াত-শিবিরের চারজন নেতা-কর্মীকে গত রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আটক করেছে পুলিশ। সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টঙ্গী : সকাল ছয়টার দিকে টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে পিকেটিং শুরু করে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। এ সময় তারা চার থেকে পাঁচটি যানবাহন ভাঙচুর করে। পিকেটারেরা একটি যাত্রীবাহী মিনিবাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। বাসটি পাশের নর্দমায় গিয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ যাত্রীরা দুই পিকেটারকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। আটক দুজন হচ্ছে আহসানুল্লাহ (৩২) ও মুজাহিদ (২৫)।

এ ছাড়া গাজীপুর, এরশাদ নগর ও আউচপাড়া এলাকায় হরতালের সমর্থনে খ- খ-ভাবে জামায়াত-শিবির কর্মীদের পিকেটিং করতে দেখা গেছে। মহাসড়ক অল্প কিছু মিনিবাস, টেম্পো, ইজিবাইক, রিকশা চলাচল করতে দেখা যায়।

বাগেরহাট : ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে বাগেরহাট-খুলনা সড়কের সদর উপজেলার দশানী, মেগনিশতলা, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড়, ফকিরহাট বাজার, খুলনা-মংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট এলাকায় খ- খ- বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় তারা রাস্তায় টায়ারে আগুন ধরিয়ে যান চলাচলে বাধা দেয় এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে বাগেরহাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা দুটি বাস ভাঙচুর করে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, বাগেরহাট-খুলনা সড়কের মেগনিশতলা এলাকা থেকে জামায়াতের এক কর্মীকে আটক করা হয়েছে। বাগেরহাটের সব সড়ক ও মহাসড়কে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়।

কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে হরতাল পালিত হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ঢাকাসহ দূর পাল্লার কোনো যানবাহন ছেড়ে যায়নি। এতে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। দুপুর পর্যন্ত শহরের বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ থাকতে দেখা যায়।

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

উপদেষ্টা : মাসুদ রানা, কাজী আকরাম হোসেন, খন্দকার সাঈদ আহমেদ, প্রকাশক : রোকেয়া চৌধুরী বেবী, সম্পাদক : রফিক আহমেদ মুফদি, প্রধান বার্তা সম্পাদক : মহসিন হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি : মোস্তাক হোসেন, মনিরুল ইসলাম, চিফ রিপোর্টার: জুটন চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : জাকির হোসেন। যোগাযোগ: ২৭৮, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রুম নম্বর ১২০৪, মৌচাক টাওয়ার, মালিবাগ মোড়, ঢাকা। মোবাইল : ০১৮১৯-০৬৭৫২৯, ০১৭১১-৭৮৩৮৬৮, ই-মেইল: monirjjd@yahoo.com, mohsindesh@gmail.com

Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD