16 July 2018 , Monday
Bangla Font Download

You Are Here: Home » জাতীয়, সর্বশেষ সংবাদ » খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কোনো সাফাই সাক্ষী হাজির করবেন না

ডেস্ক রিপোর্ট: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে গতকাল খালেদা জিয়ার আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান যুক্তি উপস্থাপন  করেন। বেলা সোয়া ১১টা থেকে শুনানি শুরু করেন তিনি। মাঝখানে একঘণ্টা বিরতি শেষে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শুনানি করেন। আদালতের বিচারক আগামী ২৬, ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী যুক্তিতর্কের শুনানির দিন ধার্য করেন। এর আগে বুধবার শুনানি শুরু করেছিলেন আবদুর রেজ্জাক খান।এদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটিও যুক্তিতর্কের শুনানির পর্যায় এসেছে। এ মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে খালেদা জিয়া তার আইনজীবীদের মাধ্যমে গতকাল আদালতে লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছেন। পরে আদালতের প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানান তারা কোনো সাফাই সাক্ষী হাজির করবেন না। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল গতকাল এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করার অনুমতি চান। আদালত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য একই তারিখ (২৬, ২৭ ও ২৮ডিসেম্বর) নির্ধারণ করেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারকাজ রাজধানীর বকশিবাজারের কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে চলছে। মামলায় হাজিরা দিতে গতকাল বেলা ১১টা ১০ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া।
আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে আদালতে বলেন, মামলাটি ঐতিহাসিক মর্যাদা পাবে। এই মামলা ইতিহাস সৃষ্টিকারী বিচার হবে। এখানে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিচার হচ্ছে। এ বিচারের মাধ্যমে দুদকের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সবাই জানবে। এ বিচারকে মাইলফলক করতে আমরা আদালতকে সহযোগিতা করব। আদালতের উদ্দেশ্যে সিনিয়র এ আইনজীবী বলেন, এক যাত্রার দুই ফল হতে পারে না। কুয়েতের আমীরের কাছ থেকে খয়রাতির টাকা এনেছেন বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিন্তু তার পরিবারের সদস্যরা আছেন। তৎকালে পররাষ্ট্র ডেক্সের দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের এ মামলায় সংযুক্ত বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। সেটা হলে টাকার উৎস এবং ব্যবহার নিয়ে সঠিক তথ্য আসতো। তিনি বলেন, প্রসিকিউশন টাকার উৎস সম্পর্কে কোনো ডকুমেন্ট দিতে পারেনি। কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য বা তথ্য প্রমাণে আসেনি যে খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। রেজ্জাক খান বলেন, আসামিদের দাবি এ টাকার উৎস কুয়েতের আমীরের অনুদান। কুয়েতের তরফে এ ব্যাপারে একটি চিঠিও এসেছে। কিন্তু মামলায় তৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূত ও কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কারও কোনো জবানবন্দি নেয়া হয়নি। তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই মামলার ২৬ নম্বর সাক্ষীর মাধ্যমে এই ট্রাস্টের টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে পারবো। কিন্তু এই সাক্ষীর কাছ থেকে আমরা কোনো তথ্য পাইনি। আমরা তথ্য দিয়েছি যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থে কুয়েত অ্যাম্বাসি থেকে এই টাকা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের অনেক শাখা আছে। রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে এই টাকার বিষয়ে জানতে পারতো।
আবদুর রেজ্জাক খান বলেন, এ মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ। খালেদা জিয়ার একটি রাজনৈতিক পরিচয় আছে। তার ও তার পরিবারের একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্য আছে। মৌখিক বা দালিলিক প্রমাণ নেই যে তিনি (খালেদা জিয়া) সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিয়েছেন। এমনকি কেউ মুখেও বলতে পারেননি, প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়ার কথায় অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। যখন অ্যাকাউন্ট খোলা হয় তখন পর্যন্ত দেশ রাষ্ট্রপতি শাসিত ছিল। খালেদা জিয়া নির্বাচিত হলেও নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হননি। তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, তার একটি রাজনৈতিক জীবন আছে। যাতে এই মামলার মাধ্যমে কোলাহল সৃষ্টি করা হয়েছে। রেজ্জাক খান বলেন, অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে একটি নির্দিষ্ট অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু ব্যাংকের দেয়া কাগজপত্রে অ্যাকাউন্ট ওপেনিংয়ে টাকার অঙ্কের উল্লেখ নেই। এটা কিভাবে সম্ভব। অ্যাকাউন্ট খোলার ফরমের লেখা ও স্বাক্ষর কামালউদ্দিন সিদ্দিকীর (সাবেক মুখ্যসচিব) কিনা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ শনাক্ত করতে পারেনি। এ ছাড়া কামাল সিদ্দিকী একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি রেমিটেন্সের গ্রহিতা এবং বণ্টনকারী। তার পকেটে কোনো টাকা যায়নি। কিন্তু মামলাটি সাজানোর জন্য তাকেও এখানে আসামি করা হয়েছে।
সিনিয়র এ আইনজীবী বলেন, ১৯৯৩ সালের ঘটনা নিয়ে এত বছর পর কেন এ মামলা হলো? অভিযোগ কে করেছে? প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর করেনি, অডিটর বা কারও কোনো অভিযোগ নেই। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগকারী কে এ কথা এড়িয়ে যাচ্ছেন। দুদক মনে করে তারা স্ব-উদ্যোগে অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা সাক্ষীকে (মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশীদ) জিজ্ঞাসা করেছি অভিযোগকারী কে? তিনি বললেন ‘বলতে পারবো না, বলতে বাধ্য না’ পাশ কাটিয়ে গেলেন। আবদুর রেজ্জাক খান বলেন, প্রশ্ন হচ্ছে, পাস্ট অ্যান্ড ক্লোজ একটি ম্যাটার কিভাবে এতদিন পর এলো? কারা উৎসাহিত করল? ১৯৯৩ সালে সোনালি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট খোলা নিয়ে হঠাৎ কি এমন তাগিদ, কোথা থেকে এই প্রেরণা, কোথা থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত- এর কোনো কৈফিয়ত নেই। আমরা যেন অতিউৎসাহী ও অতি উদ্যোগীদের থেকে একটু দূরে থাকি। তড়িঘড়ি করে যেনতেনভাবে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা চলতে পারে না। প্রত্যেক নাগরিকের তার প্রাপ্য অধিকার ভোগ করার অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর দূরের কথা তার ছায়া পর্যন্ত নেই। পিপি (দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল) খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ সাজা (যাবজ্জীবন কারাদণ্ড) চেয়েছেন। কিন্তু সর্বোচ্চ সাজা চাইলে সর্বোচ্চ তথ্য প্রমাণ থাকতে হয়।
তিনি বলেন, দণ্ডবিধি অনুযায়ী বিচার চাই। এই মামলার সঙ্গে খালেদা জিয়ার ও তার পরিবারের মানসম্মান জড়িত। এটা একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলা। রেজ্জাক খান বলেন, এটা কোনো মুুদি দোকান নয়। এটা চকবাজার বা পাটুয়াটুলীর কোনো পাইকারি দোকানও নয়। এটা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মামলা। মাননীয় আদালতকে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না। সিনিয়র এ আইনজীবী বলেন, বিচারালয়ে বিচারকরা মর্যাদা পেলে আমরা আইনজীবীরাও মর্যাদা পাই। ন্যায় বিচার পাই। বিচারক ও আইনজীবীদের মর্যাদা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তড়িঘড়ি করে যেনতেনভাবে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড চলতে পারে না। এ মামলাটি মেলাফাইড। একবছর একজনকে দিয়ে তদন্ত করে আবার অন্যজনকে দিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। রেজ্জাক খান বলেন, এ মামলার প্রথম তদন্তে কোনো পর্যায়ে খালেদা জিয়ার নাম আসেনি। কিন্তু মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে জড়িয়ে পরে একটি প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত করার জন্য এই মামলা দেয়া হয়েছে। এ মামলায় খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের জবানবন্দি গ্রহণের কথা সাক্ষীর সাক্ষ্যে উল্লেখ থাকলেও আদালতে তা উপস্থাপন করা হয়নি। কেন উপস্থাপন করা হয়নি। তাহলে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত কেন হবে? আদালতের উদ্দেশে তিনি বলেন, অর্ডিনেন্স অনুযায়ী খালেদা জিয়া রেহাই পেতে পারেন। সুবিচার ও অবিচার বলে কিছু নেই, বিচারের নিরিখে এ মামলায় খালেদা জিয়ার অব্যাহতি পাওয়ার যোগ্য।
তদন্ত প্রতিবেদনের শব্দচয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলে আবদুর রেজ্জাক খান বলেন, অর্থ আনছেন একজন, বণ্টন করছেন একজন আর উত্তোলন করছেন একজন। কিন্তু সবখানে দেখানো হচ্ছে সবকিছু করছেন খালেদা জিয়া। তার নির্দেশে সব হচ্ছে। অ্যাকাউন্ট খুলেন, টাকা বণ্টন করেন ইত্যাদি। কিন্তু পরে তা পরিবর্তন করা হয়েছে- খুলিয়েছেন, করিয়েছেন ইত্যাদি। নিজের জীবনের উদাহরণ দিয়ে রেজ্জাক খান আদালতে বলেন, একবার পরীক্ষার খাতায় জেন্ডারের উত্তর করতে গিয়ে সবগুলো মাসকুলিন জেন্ডার লিখেছিলাম। আমার প্রাপ্ত নম্বর ছিল শূন্য। এ মামলায়ও খালেদা জিয়া লাভবান হতে বা কাউকে লাভবান করতে- এমনটি বলা হয়েছে। এখানে ‘বা’ ও ‘কিংবা’র মাধ্যমে তৈরি হয়েছে দোলাচল। প্রতিবেদনে পরিষ্কার বলা উচিত ছিল হয় তিনি লাভবান হয়েছেন, অথবা তিনি কাউকে লাভবান করেছেন। মাননীয় আদালত, ‘বা’ ও ‘কিংবা’ যদি উত্তর হয় তবে সেখানে মার্ক হয় ‘শূন্য’। সিনিয়র এই আইনজীবী বলেন, এটা সম্পূর্ণ রিপোর্ট না অসম্পূর্ণ রিপোর্ট এর তদন্ত মাননীয় আদালত আপনার ওপর। কোনো সাক্ষীর মুখ থেকে আসেনি প্রধানমন্ত্রী (তৎকালীন) খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এর কোনো দালিলিক প্রমাণও নেই। প্রবীণ এ আইনজীবী দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের একপর্যায়ে আলোর স্বল্পতার কারণে হাতের মিনি লাইট জ্বেলে সাক্ষ্য পড়েন। এ সময় আদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জমিরউদ্দিন সরকার, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এজে মোহাম্মদ আলী, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে বিদেশ থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩রা জুলাই রমনা থানায় দুদক এ মামলা করে। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ই আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। ২০১৪ সালের ১৯শে মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। এ মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ২৬শে জানুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। অন্য দিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮  আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করে  দুদক। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

উপদেষ্টা : মাসুদ রানা, কাজী আকরাম হোসেন, খন্দকার সাঈদ আহমেদ, প্রকাশক : রোকেয়া চৌধুরী বেবী, সম্পাদক : রফিক আহমেদ মুফদি, বিশেষ প্রতিনিধি : মোস্তাক হোসেন, মনিরুল ইসলাম, চিফ রিপোর্টার: হানিফ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : জাকির হোসেন। যোগাযোগ: ২৭৮, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রুম নম্বর ১২০৪, মৌচাক টাওয়ার, মালিবাগ মোড়, ঢাকা। মোবাইল : ০১৮১৯-০৬৭৫২৯, ই-মেইল: monirjjd@yahoo.com,

Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD