21 October 2018 , Sunday
Bangla Font Download

You Are Here: Home » সর্বশেষ সংবাদ » ৩ বছর পর মায়া সরকারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ৩ বছর পর পর্দায় ফিরছেন মায়া সরকার। ছোট পর্দার মাধ্যমে আবার ফিরে আসলেন মায়া। ৩ বছর মায়া ছিলেন পর্দার আড়ালে। আড়াল ভেঙ্গে আবার সরব হচ্ছেন মিডিয়ায়।
আগে মায়া সরকার মঞ্চেও নিয়মিত অভিনয় করেছেন। এছাড়াও ছোট পর্দায়ও তিনি কাজ করতেন।
২০১৪ সালে মায়া সরকার নির্মাতা আক্তারুল আলম টিনুর পরিচালনায় ‘ফ্রেন্ডস ফরএভার’ সিনেমার কাজ করেছেন। ওই বছরই তিনি ‘ডুপ্লিকেট বক্স’ নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন। এ দুটি সিনেমার কাজ শেষ না করেই মিডিয়া থেকে অন্তরালে চলে যান মায়া। দীর্ঘ তিন বছর পরে তিনি আবার ছোট পর্দায় অভিনয় করছেন। এছাড়া আসন্ন ঈদে আরও দুটি নাটকে তাকে দেখা যাবে বলে অভিনেত্রী মায়া সরকার।

সঞ্জয় কান্তের পরিচালনায় ঈদের বিশেষ নাটক “এক রাশ নীল” নাটকের মাধ্যমে আবার মিডিয়ায় ফিরছেন মায়া সরকার।

এ নাটকে অভিনেতা ইরফান-মায়া দুজন দুজনকে ভালোবাসেন। একদিন হঠাৎ করেই মায়া বাবা-মাকে ছেড়ে পালিয়ে চলে আসেন। উদ্দেশ্য ইরফানকে বিয়ে করে সংসার করবেন। এদিকে ইরফান বিয়ের জন্য মোটেও প্রস্তুত নন। ইরফানের চাকরিতে সমস্যা চলছে। কিন্তু মায়া বুঝতে নারাজ। বাড়িতে ফিরে যাওয়াও অসম্ভব। তার একমাত্র বিকল্প পথ আত্নহত্যা! মায়া কোন পথ বেছে নেবেন? জানতে হলে দেখতে হবে ‘এক রাশ নীল’ ঈদের বিশেষ নাটক। এই নাটকে মায়া সরকার ছাড়াও অভিনয় করছেন বোধন চরিত্রে ইফরান সাজ্জাদ, শান্তা চরিত্রে মায়া সরকার ও সীমা হচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ।

মায়া মিডিয়ায় ৩ বছর বিরতি থাকার প্রসঙ্গে বলেন, ‘মিডিয়ায় কাজ করার ইচ্ছে ছিল ছোটবেলা থেকেই। তাই ২০১৪ সালে কয়েকটি কাজ করলেও পরিবারের লোকজন চাচ্ছিলো না আমি মিডিয়ায় কাজগুলো করি। যে কারণেই হঠাৎ করে অন্তরালে চলে গিয়েছিলাম। পরিবারের অনমুতি নিয়ে এখন আবার নিয়মিত অভিনয় করছি এবং করবো।আর বিরতি দেব না।  ছোটপর্দার পাশাপাশি বড়পর্দায়ও কাজ করবো।তিনি বলেন, ‘এক রাশ নীল’ নাটকটির কাজ দারুণ হয়েছে। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে।এই নাটকের মাধ্যমে আমি মিডিয়ায় দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলাম। এখন সকলের সহযোগিতা ও দোয়া চাই।
‘এক রাশ নীল’ আসছে ঈদে একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত হবে বলে জানা গেছে।
নাটকের গল্পোটি হচ্ছে
হঠাৎ করেই যেন বোধনের জীবনে ঝড় নেমে এল। প্রেমকা শান্তা মা-বাবাকে ছেড়ে পালিয়ে এসেছে তার কাছে। উদ্দেশ্য বিয়ে, তারপর সংসার। কিন্তু বোধন মোটেই প্রস্তুত নয়। বাবার রাগান্বিত মুখ মনে পড়লে বোধনের হৃৎকম্পন শুরু হয়। তার চাকরিতেও সমস্যা চলছে।
কিন্তু শান্তা বুঝতে নারাজ। তার আর বাড়িতে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। একমাত্র বিকল্প পথ আত্মহত্যা। অনেক বুঝিয়ে বোধন শান্তাকে একটা বাসা ভাড়া করে আপাতত সেখানে কিছুদিন রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। শুরু হলো বাসা খোঁজা।
শেষমেষ একটি বাসা পাওয়া গেল। সীমা নামের ত্র্রিশোধ্ব এক চাকুরিজীতি মহলা তার রুমমেট হিসেবে শান্তাকে রাখতে রাজি হয়। শুরু হয় নতুন অধ্যয়।
প্রতি রাত সীমা বাইরে কাটায়। শান্তা জানতে চাইলে বলে নাইট ডিউটি। শান্তা’র মনে সন্দেহ হয়। সে সেখানে থাকতে চায় না। কিন্তু বোধন নিরুপায়। একদিন সীমার কাছে মিজান নামে গম্ভীর এবং রুক্ষ দর্শন এক যুবক আসে। শান্তার দিকে মিজানের লোলুপ দৃষ্টি শান্তাকে অস্বিস্থিতে ফেলে। সীমার অবরতমানে সকর্মী রিত’র  এবং দিনরাত বোধনকে চাপ দিতে থাকে বিয়ের জন। কন্তু তারেক যেন পালিয়ে বাঁচে।
এবার সীমার প্রসঙ্গে আসা যাক। আপাত দৃষ্টিতে সীমা একজন উচ্ছশ্রেণীর পতিতা। পতিতাবৃ্ত্তি, আমাদের সমাজে যেক এক অতি স্বাভাবিক ব্যাপার। এই পেশায় কেউ আসে সখ করে আর কেউ আসে নিষ্ঠুর বাস্তবতার শিকার হয়ে। সীমার বেলায়ও তাই হয়েছে।
দারুণ এক পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছে এই পেশা বেছে নিতে। সমাজের সব বড় বড় শিল্পপতি, সচিব, মন্ত্রী, সাবাই যেন সীমার মোহমূগ্ধ। অন্যদিকে দিনের পর দিন শান্তার বীব্র ঘৃণার তীর সীমাকে রক্তাক্ত করে।
সীমা প্রমাদ গুণে তারই পরিকল্পনায় বোধনের চাকরি চলে যায়। বোধন প্রেমে পড়ে সীমার। বয়সে অনেকে ছোট হওয়ার পরও বোধনের এই প্রেম সীমা বেশ উপভোগ করে।
অন্যদিকে দিশেহারা হয়ে পড়ে শান্তা। সে কান্না জড়িত কন্ঠে সীমার কাছে আত্মসমর্পণ করে। সীমার খুব মায়া হয়। তার ছোট বোনটা অন্যায় করে ঠিক এমনই করেই ক্ষমা চাইত।
শান্তাকে সীমা তার দুঃখের ইতিহাস অবলীলায় বলে যায়। শান্তা বোঝ এই পৃথিবীতে কেউই পাপ কাজে স্ব-ইচ্ছায় নিযুক্ত হয় না। হয় সে বাধ্য হয় আর নয়তো পরিবেশ তাক অনুগত দাস করে রাখে।
সীমা’র অনুগ্রহে বোধন আবার চাকরি পায়। ততদিনে বোধন সীমা বলতেই অর্ধপাগল। কিন্তু সীমা তাকে ছোট ভাইয়ের মতো শাসন করে শান্তার হাতে তুলে দেয়। তারপর বোধনকে বাধ্য করে শান্তাকে বিয়ে করতে।
বোধন এখন আগেরও চেয়েও অনেক সাহসী এবং আত্মবিশ্বাসী। শান্তা বোঝে এটা একমাত্র সীমারই অবদান। বোধন বুক ফুলিয়ে শান্তাকে নিয়ে নিজের বাড়ির দিকে রওনা দেয়। পেছনে তাকিয়ে দেখে ক্লান্ত পথ ধরে সীমা হেঁটে চলেছে তার পুরো গন্তব্যে। 

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

উপদেষ্টা : মাসুদ রানা, কাজী আকরাম হোসেন, খন্দকার সাঈদ আহমেদ, প্রকাশক : রোকেয়া চৌধুরী বেবী, সম্পাদক : রফিক আহমেদ মুফদি, বিশেষ প্রতিনিধি : মোস্তাক হোসেন, মনিরুল ইসলাম, চিফ রিপোর্টার: হানিফ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : জাকির হোসেন। যোগাযোগ: ২৭৮, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রুম নম্বর ১২০৪, মৌচাক টাওয়ার, মালিবাগ মোড়, ঢাকা। মোবাইল : ০১৮১৯-০৬৭৫২৯, ই-মেইল: monirjjd@yahoo.com,

Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD